Skip to main content

যদি এই আন্দোলন সফল না হয় তাহলে বাংলাদেশ শেখ হাসিনার ও গুন্ডা বাহিনি ছাত্রলীগে কাছে জব্দ হয়ে থাকবো

যদি এই আন্দোলন সফল না হয় তাহলে বাংলাদেশ শেখ হাসিনার ও গুন্ডা বাহিনি ছাত্রলীগের  কাছে জব্দ  হয়ে থাকবো সারাজীবন 



যদি এই আন্দোলন সফল না হয় তাহলে আমরা বাংলাদেশের প্রতিটা নাগরিক প্রতিটা পেশার মানুষ বাংলাদেশ শেখ হাসিনার কাছে জব্দ  হয়ে থাকবো।

কারণ আমাদের প্রজন্ম কখনো আমাদের পরিবারকে সিকিউরিটি দিতে পারবেনা এবং আমাদের পরের প্রজন্ম আমাদেরকে দোষারোপ  করবে। কারণ এই সরকার আমাদের পরিবার এবং দেশের সিকিউরিটি সিস্টেম টা পুরোপুরি শেষ করে দিছে, যদি আজ আমরা এই আন্দোলনে সফল না হয় তাহলে আমাদের পরিবারের বোন ভাই প্রতিটা সদস্য বাহিরে গিয়ে কোনভাবেই  স্বাধীন মত চলাফেরা করতে পারবেনা।বা যদি কোন সমস্যায় পড়ে তাহলে এটার সমাধান আমরা করতে পারবোনা, কারণ স্বৈরাচারী এবং এ সরকারের আমলে তাদের গুন্ডাবাহি দল যেটাই করবে সেটাই আমাদের এবং আমাদের পরিবারকে এবং আমাদের সাধারণ জনগণকে মানতে হবে, কারণ আমাদের প্রশাসন ও আমাদের আইন কোনভাবেই নিরপেক্ষভাবে কাজ করে না তাদের কাছে বাংলাদেশ প্রশাসন সরকার যেটা বলবে সেটাই তারা করবে। তাই আমাদের বোন বা ভাগ্নি বা ফ্যামিলির কেউ সদস্য যদি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বা অন্যান্য কোন বড় নেতা দ্বারা নির্যাতিত বা নিপীড়ন হয় সেটার বিচার কখনো পাবো না বা তা নিয়ে কথা বলতে গেলে উল্টো আমাদের বাসাতে এসে হুমকি এবং  মারধর করবে।  বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমাদের ফ্যামিলির কাউকে গুম করে ফেলবে এমন একটা অবস্থা বাংলাদেশ চলছে এবং সামনে দিয়ে এটা পুরোপুরি আরো বড় আকার ধারণ করবে। এখন আমাদের দেশের আইন আদালত সবকিছুই সরকার শেখ হাসিনার কোথায় চলতাছে উনি যেটা  বলেন সেটাই রায় শুনানি হয় শুধুমাত্র জনগণকে দেখানো এই দেশ সংবিদানে চলতেছে কিন্তু এর কোন কিছুই বাস্তবতায় নেই। তাই আমরা বর্তমানে আমরা ছাত্রসমাজ সব পেশার মানুষ একহয়ে এই আন্দোলনকে সফল করতেই হবে আর না হয় আমরা সবাই এটার জন্য প্রস্তুত হতে হবে যে আমাদের ছেলে মেয়ে পরিবার আত্মীয়-স্বজনের কাছে আমরা অপ্রদস্ত হতে হবে সামনে সামনের দিনগুলোতে খুব একটা আশা করতেছি যে যদি এই আন্দোলন সফল না হয় আমাদের দেশ লিবিয়া আফগানিস্তান  অন্যান্য দেশের মতো আত্মঘাতী দেশে পরিণত হবে। তাই আমরা যে যেভাবেই পারি এই আন্দোলনকে সফল করে আমাদের দেশকে বাঁচাতে হবে আমাদের আইন সবগুলোকে নিরপেক্ষ করতে হবে এবং তাকে একটা উন্নয়নমূলক দেশে পরিণত করতে হবে আজকে যারা আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগের বড় ভাইয়েরা আছেন যারা ক্ষমতায় আছেন মনে রাখবেন আপনাদের ছেরে দেয়ার  সময় আসবে আপনারাই  সরে যাবেন। আপনাদের অন্য কেউ নেতৃত্ব দিবে তখন আপনাদের অবস্থানও নেমে আসবে সবাই বাংলাদেশ সংসদে যেতে পারবেন না  সবাইকে নিয়ে শেখ হাসিনা ফ্যামিলি করতে পারবে না। হাসিনা সময়ে সময় ভিত্তিক মানুষদেরকে নিয়ে কাজে লাগাবে যখন আপনার সময় শেষ হয়ে যাবে আপনার নিজেরও ফ্যামিলি তখন ইনসিকিউরড  ফিল করবে তখন আপনিও এটা নিয়ে আমাদের মত খুব বেশি আফসোস করবেন ক্ষমতা সবার সমান থাকে না পরিবর্তন আসে আমি এটা বলতে চাচ্ছি না যে আন্য কোন দল আসবে আমি এটা বলতে চাচ্ছি আপনার নিজেদের মাঝেই এক সময় আপনার ক্ষমতা চলে যাবে তখন আপনার ফ্যামিলি ও আপনার কাছে বা আপনার দলের কাছে ইনসিকিউরড ফিল করবে তারা সিকিউরিটি পাবে না আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার তৌফিক দিন দেশটাকে বাঁচান যে সরকার এতোটুকু  সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদেরকে মেরে ফেলতে ভাবতেছেনা এই সরকার আপনি বাচেন না মরেন কিছু যায় আসে না, আপনার কথা ভাববে না আল্লাহ আপনাদের বুঝার তৌফিক দিন ভালো থাকুন আল্লাহ হাফেজ



Comments

  1. Power thakle manush nijere ki j mone kore...

    ReplyDelete
  2. Yes killer Hasina

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

*"শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ড. ইউনুসের নেতৃত্বে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত"*

*"শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ড. ইউনুসের নেতৃত্বে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত"*    বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগের পর। এই সরকার দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছেl অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান সদস্যগণ:এই ব্যক্তিদের পেশাগত পরিচিতি বা পটভূমি অনুযায়ী বাংলায় একটি নোট নিচে দেওয়া হলো: ### প্রধান উপদেষ্টা: **ড. মুহাম্মদ ইউনূস**: ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন বাংলাদেশি সামাজিক উদ্যোক্তা এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার পথিকৃৎ এবং ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ### উপদেষ্টাগণ: **সালেহ উদ্দিন আহমেদ**: সালেহ উদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর। **ড. আসিফ নজরুল**: ড. আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক। **আদিলুর রহমান খান**: আদিলুর রহমান...

Bangladesh's PM Sheikh Hasina Resigns and Flees to India....

Bangladesh's PM Sheikh Hasina Resigns and Flees to India. ... Prime Minister Sheikh Hasina of Bangladesh resigned and fled to India after weeks of intense protests and escalating violence. This marked the end of her 15-year rule and has thrown the country into further instability. The unrest began with peaceful student protests in June 2024, primarily demanding the abolition of a controversial quota system in government jobs that favored family members of veterans from Bangladesh's war of independence. These protests quickly evolved into a larger movement against Hasina's government, accused of corruption, electoral fraud, and increasing autocracy. By mid-July, the protests had become violent. Reports indicate that nearly 300 people had died due to clashes with security forces. The situation worsened when, on August 4, 2024, thousands of protesters stormed Hasina's official residence. This led to the deaths of nearly 100 individuals, including 14 police officers. On Aug...

বাংলাদেশে বর্তমানে গ্রাফিটি

বাংলাদেশে বর্তমানে গ্রাফিটি   বাংলাদেশে বর্তমানে গ্রাফিটি শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মাধ্যম হিসেবে বিকশিত হচ্ছে। বিভিন্ন শহরে, বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, এবং সিলেটে, গ্রাফিটি শিল্পীরা তাদের কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, এবং পরিবেশগত বার্তা তুলে ধরছেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শহরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছু এলাকায়, যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, ছাত্র সংগঠনগুলো সামাজিক সংহতি ও ন্যায়বিচার প্রচারের জন্য গ্রাফিটি ব্যবহার করছে। যেমন, "Colours for Reform" উদ্যোগটি ঢাকার দেয়ালে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক সংহতির বার্তা প্রচার করছে। দেশজুড়ে বিভিন্ন এনজিও এবং স্থানীয় প্রশাসনও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গ্রাফিটি কর্মসূচি পরিচালনা করছে। উদাহরণস্বরূপ, চট্টগ্রামে জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য গ্রাফিটি চিত্রিত হয়েছে। এছাড়া, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইভেন্ট যেমন নারী অধিকার, শিশু অধিকার, এবং পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে গ্রাফিটি কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচিগুলোতে স্থানীয় শ...